সম্পদ সাহা’র দুটি কবিতা

0
234



নীলাদ্রি,

তুমি কি এখন আর চিঠি লিখো না,
আমার ঠিকানায়?
এখন তো আর ডাকপিয়ন আসে না!
আসে না রঙিন খামে মোড়ানো তোমার হাতের কাব্যিক লেখা চিঠি
প্রথম যে দিন তারফোনে প্রিয়সীর কন্ঠ শুনতে পেয়েছি
সেদিন থেকেই ঘূর্ণায়মান সময়ের স্রোতে
মধ্য রাতের ডাকপিয়ন তোমায় ভুলতে বসেছি।

যান্ত্রিকতার ছোঁয়ায়,
প্রিয়সীর কাব্যিক লেখাও হারিয়ে গিয়েছে
হারিয়ে গিয়েছে শত মাইল পাড়ি দেওয়া
প্রেমদূত ডাকপিয়নও।।



ভালোবেসে কেমন আছো

প্রিয়তমেষু,
অনুযোগের স্বরে বলছি তোমায়
ভালোবেসে কেমন আছো
আজো কি আমায় ছেড়ে ভালো আছো?
না কি ভালোবেসে ভালো থাকার অভিনয় করছো!

শীতের রিক্ততায় বড্ড বেশি মনে পড়ছে তোমায়
চারিদিকে হিমেল হাওয়ায়, শিশির ভেজা নগ্ন পায়ে
কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়ে,মেঘের সন্ন্যাসী হয়ে
পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে চলে গিয়েছো তুমি
শীত যেন বিভীষিকা হয়ে এসেছে আমার মনে

লুপ্ত শঙ্কা আর বিছিন্ন স্বপ্নের বাগানে ফোটে
উঠেছে আবার রং-বেরঙের ফুল
এসেছে ফাল্গুন, এসেছে বসন্ত
কুয়াশার চাদর ভেঙে জেগে উঠেছে নতুন এক সূর্য
প্রেমিক-প্রেমিকার ভালোবাসার পূর্ণতা পেয়েছে
আজ এ বসন্তে
শীতের বিরহ যাতনা আর প্রেমহীন জীবনের আড়মোড়া ভেঙে
নতুন জীবনের বাসনায় কবি মনে প্রশ্ন জাগে
ভালোবেসে কেমন আছো?
“প্রিয়তমেষু”