শহিদুল ইসলাম নিরব-এর একগুচ্ছ কবিতা

0
175



মায়া রঙের সন্ধ্যা

একটি মায়া রঙের সন্ধ্যা বুকে নিয়ে
খু্ব ক্লান্ত অবসন্ন মনে বসে আছি
বসে আছি অজানার প্রতিক্ষায়,
সুবর্ণতীরে।

হে তিলোত্তমা বাসন্তী দেবী!
কখনো কি আর বাহির হবে না তুমি?
একবার জানালা খুলে দেখো-
কি ব্যথায় কাঁদছে আজকের আকাশ?
কি ব্যথায় কাঁদছে কবির মন?

একবার বাহির হয়ে দেখো
কতোটা নীরব নিস্তব্ধ বাসন্তীকানন।



বরফহৃদয়

বরফহৃদয় সাবান হয়ে গলছে
তার অশ্রু ফেনায় যেন জন্মায়
শত শত হৃদয়বর্ণ রক্তগোলাপ।

তমিশ্রদশাটুকু কেটে গেলেই
লিখে যাবে কবি
কতোটা গোপনে ফুলেরা ফুরায়?
কতোটা গোপনে নক্ষত্রের বিদায়!


শুধা ঝরানো চোখ

বাসন্তী মদীরা চোখে
নিষ্কাম ডুবে থাকাই আমার স্বর্গ;
আমার সুখ যেন ঐ শুধা ঝরানো দু’চোখ।

ঝরনার মত– অবিরত
ঝরে যায় যে মায়া;
নিভে গেলেই নেমে আসে নয়নে নরক।

তোমার সুধার দু’চোখ যেন নরম নদী
কবির অনন্তপ্রেম ও পরম ভাব।

প্রিয়ে, পলকহীন চোখে– চেয়ে থাকো,
অবিরত সূর্যমুখীর মত।
যেন আমি একটি সেকেন্ডও আড়াল না হই।


যাবার পথ উন্মুক্ত

বাসন্তী
যাবার পথ উম্মুক্ত করেই
কষ্টের সাগরে ফেলেছি নোঙর।
আমার অস্থিরতা নিয়ে
তোমার ভাবার কিছু নেই।

একদিন অসীমতার নামে
ধরে ছিলে প্রেমের যে পথ
সে পথ না ফুরাতেই ভেঙেছ শপথ।
তবুও যে পথে যাচ্ছো তুমি
সে পথেও অসীমতার দেখা পাও।

ঝরা ফুল নিয়ে ভেবনা আর
পচলে পচবো আমি
ফেলে যাওয়া পথের বাঁকে।

LEAVE A REPLY