জাকির হোসেন কে চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে চায় মানিকার চর ইউনিয়নবাসি

0
276

লিটন সরকার বাদল:

কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলা থেকে সড়ক পথে ১ ঘন্টার পথ পাড়ি দিলেই পৌছে যাওয়া যাবে মেঘনা উপজেলার মানিকার চর বাজার এলাকায়।

কুমিল্লা উত্তর জেলার সর্বশেষ উপজেলা মেঘনা। উন্নয়নের স্পর্শে সেজেছে মেঘনার চৌদিক। শিল্প অঞ্চল হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে মেঘনা। একসময়কার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বদ্বীপ খ্যাত মেঘনার এখনকার চেহেরা দেখলে বুঝার উপায় নেই এই মেঘনা সেই মেঘনা! ক্ষমতাসীন আ.লীগ সরকার এর একটানা এক যুগ শাসনামলে অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে এ উপজেলায়। পাশাপাশি দ্রুত স্বাবলম্বী হয়ে ভাগ্যের চাকাও ঘুরেছে এ অঞ্চলের মানুষগুলোরও। বেড়েছে মানুষের ভিত্ত-বৈভব। বদলেছে সময়, বদলেছে দিন।

তাই নতুন দিনে নতুন নেতৃত্বের জোয়ার বইছে মেঘনায়। মেঘনার জয়পুর গিয়ে মনে পড়লো কামিনী রায়ের বিখ্যাত কবিতার চয়ন, “পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি এ জীবন মন সকলি দাও। তার মতো সুখ কোথাও কী আছে?”

এ কবিতার চয়নের সাথে মিলেমিশে একাকার এখানকার এক আ.লীগ নেতার জীবন। বলছি তার গুণকৃত্তণে ভরপুর মানবিক হৃদয়ের কথা। আসলেই তিনি ইশ্বর প্রদত্ত মানবিক কল্যাণে কাজ করা এক স্বর্গীয় দূত। তা না হলে নিজের নাওয়া- খাওয়া ভুলে মানুষের জন্য এ সমাজে মানুষ এতোটা করে না। এমন মানুষ বিরল।

মানুষের উপকারে কেঁদে ওঠে যার মন- প্রাণ। মানিকার চর ইউনিয়নের একজন নিবেদিত প্রাণের মাটির মানুষ,ইউনিয়ন যুবলীগ এর সভাপতি মো.জাকির হোসেন।

দলমত নির্বিশেষে তিনি দিনে দিনে সে এলাকার মানুষের প্রিয় মানুষ হয়ে অসংখ্য মানুষের মনমণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছেন। এলাকার মানুষ তাকে এখন দানবীর হিসেবে জানে।মেঘনায় দু’হাত উজাড় করে মানুষের কল্যাণে ব্যয় করে যাচ্ছেন নিজের রক্তঘামের অর্জিত টাকা।

মানব সেবা আর মানুষের উপকার করা যেনো তার নেশায় পরিণিত হয়েছে।মানবিক কাজগুলো তিনি মনে আনন্দ নিয়ে করে থাকেন।কোনো রাগ বা অভিমান নেই তার। তিনি কন্যাদায়গ্রস্থ পিতার সহযোগীতায় এগিয়ে আসেন। এগিয়ে আসেন অসহায় মানুষের সাহায্যে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,মেঘনায় ৪৭৮ জন দুস্থ অসহায় কন্যার বিবাহের সকল ব্যয়ভার বহন করেছেন যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন। নিজ অর্থায়নে গৃহহারা মানুষকে তৈরী করে দিচ্ছেন ঘর। কেউ যদি টাকার জন্য পড়া লেখা করতে না পারে। সেসব শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার খরচ তিনি বহন করেন। বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসায় ও কবরস্থানে প্রায় কোটি টাকার মতো দান করেছেন।অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা চলে তার অনুদানে।

সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন নিজ অর্থায়নে উজানচরে একটি ৫ম তলা মাদ্রাসা ভবন তৈরী করে দেওয়ার। অসুস্থ মানুষের দ্রুত জরুরি চিকিৎসা সেবা সহজলভ্য করতে মেঘনায় নিজ অর্থায়নে দান করবেন “ফ্রী সার্ভিস অ্যাম্বুলেন্স “।

তিনি বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালীন সময়ে সৃষ্ট সংকটে এলাকার কর্মোক্ষম মানুষদের খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহায়তা করেছেন। এবার শীতকালে প্রায় ১৫ হাজার শীতার্ত পরিবারের মাঝে কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন। এলাকার মানুষ তার মানবিক কাজে সন্তুষ্ট হয়ে” মানবতার ফেরিওয়ালা ” নামে আখ্যায়িত করেছেন।

তার একটাই কথা, “আমি যদি ভালো খাই, আমার এলাকার মানুষগুলো ভালো খাবে।আমার এলাকাবাসি ভালো থাকলেই আমিও ভালো থাকবো। আমি জনসেবা করার জন্যই রাজনীতি করি।আমার রাজনীতি হবে মানুষের কল্যাণের জন্য।“

তার বিনয়ী স্বভাব, আচার-আচরণেও এলাকাবাসী মুগ্ধ। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি মানিকার চর ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন। বাংলাদেশ আ.লীগ থেকে এবার তিনি নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশী। নৌকা প্রতীক পেলে খুব সহজেই তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারবেন এলাকারবাসি জানান।

এছাড়াও মানিকার চর ইউনিয়নে তার জনপ্রিয়তা রয়েছে আকাশচুম্বী। দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছেই তার ব্যক্তি ইমেজ অনেক ভালো। ঈর্ষণীয় জনপ্রিয়তার পাহাড়ে দাঁড়িয়ে হয়ে ওঠছেন এক জনপথের জননন্দিত নেতা।

তিনি আপামর জনতার ভালোবাসায় সিক্ত নন্দিত একজন মানুষ। এলাকাবাসী জানান, “আসন্ন নির্বাচনে তিনি নি:সন্দেহে একজন হেভিওয়েট ও জননন্দিত চেয়ারম্যান প্রার্থী।”

এ ইউনিয়ন এর ছাত্রলীগ নেতা আওলাদ হোসেন বলেন,” জাকির ভাই চেয়ারম্যান না হয়েও এলাকার উন্নয়ন ও অসহায় মানুষের কল্যাণে ব্যাপক কাজ করছেন। তিনি করোনাকালীন সময়ে বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহায়তা করেছেন। তার মতো মানুষ যদি এলাকার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয় তাহলে আমাদের মানিকার চর ইউনিয়ন সারা দেশে ১ নম্বর মডেল ইউনিয়ন হওয়ার পাশাপাশি জাকির ভাই সারা দেশের সেরা স্বর্ণপদক প্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন-ইনশাল্লাহ।”

এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মো.দুলাল মিয়া জানান, “মানিকার ইউনিয়েনর রন্দ্রে রন্দ্রে সমাজ সেবা করে যাচ্ছে জাকির হোসেন।তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ ইউনিয়নে যেসব উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন তা কোনো জনপ্রতিনিধির পক্ষে সম্ভব নয়।তাই আমরা আসন্ন ইউপি নির্বাচনে মানিকার ইউনয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে জাকিরকে পেতে চাই।”

হাসনা নামের এক মধ্য বয়সী স্থানীয় নারী ভোটার জানান, “আমরা জাকির হোসেন ভাইয়ের মতো এমন জনদরদী নেতা আর দেহি নাই। তিনি আমগো এলাকার অসহায় মাইনসের প্রতি সবসময় সাহায্য দান করেন। আমরা কোনো আর্থিক সমস্যায় পরলে জাকির ভাইয়ের কাছে গিয়ে বললে ওনি আমাগো টেকা-পয়সা দিয়া সাহায্য করেন। আমরা জাকির ভাইয়ের জন্য দোয়া করি আল্লাহ ওনাকে আরো বেশি বেশি দান করার সামর্থ্য দিন। ওনাকে আমরা মানিকার চর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে চাই। কারণ ওনার মতো মানুষ চেয়ারম্যান হলে এলাকার যেমন উন্নয়ন হবে তেমনি গরীব মাইনসের উপকার হবে।”

ইউনিয়ন যুবলীগ এর সভাপতি ও চেয়ারম্যান প্রার্থী মো.জাকির হোসেন বলেন, “মানুষ পৃথিবীতে সারা জীবন বেঁচে থাকে না। তবে কর্মের মধ্য মানুষ অমরত্ব লাভ করে।আমি আমার এলাকাবাসির ভালোবাসা পেয়ে আজ আমি ধন্য। এ অনন্য ভালোবাসার ঋণ শোধ করার সামর্থ্য আমার নাই। আমি আমার জীবনের শেষ দিনের আগ পর্যন্ত এলাকার জনগণের পাশে থাকতে চাই। তাদের সেবা করতে চাই। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আমি আ.লীগ থেকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। এলাকার জনগণের দোয়া ও ভালোবাসাই আমার পুঁজি।

তিনি আরো বলেন, “আমি যদি আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারি তাহলে মানিকার চর ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে আমি লিংক রোড করে দিবো।মাদক সন্ত্রাসী, চুরি ও বাল্য বিবাহরোধে আমি অগ্রণী ভূমিকা রাখবো। এ ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়নে বাস্তবায়ন করার জন্য যা যা পদক্ষেপ নিতে হয় আমি তাই করবো-ইনাশাল্লাহ।”