এবাদুল হক’র কবিতা

0
130

হাংরির কিচিরমিচির

 

 

আমার একহাতে গিটার অন‍্যহাতে অস্ত্রের ঝংকার ঝনঝন মুণ্ডহীন দেহগুলি মাটিতে দাঁত বের করে হল্লার হৈচৈ কিচিরমিচির।
আরবের ঘোড়াগুলি গতিহারা মাটিহারা ছুটে চলেছে
এদিক ওদিক। আরোহী বিহীন জিনগুলি বিদ্রোহী
খেলা করে লাফিয়ে লাফিয়ে ওঠানামা করে মখমল।

আহত আরোহী ভূমিতে কান পেতে ধরাশায়ী
কে ওদের আঘাতে আঘাতে শষ‍্যাশায়ী
করেছে বারবার। ভায়োলিন বুঝি? হল্লা বোলের দল?

মার টান হ‍্যায়য়ো ছিঁড়ুক কাটুক ফাটুক যত শক্ত তার
ঘুঘুর খুলে ফেলে, ও বিলাসী নাচ তো দেখি ধিতাং ধা।

ইমলিতলার দিশি বোতলজীবন মানে জানে না যৌবন।

ধ্বজভঙ্গ জীবন সৌখিন সৌন্দর্য মন্থন করে কেরানি।

বেকারত্ব আর আর্থিক দুর্নীতি মন্দাবাজার ব‍্যক্তিগত পুঁজির পাহাড়।

চলছে চলবে মুখোশ মিছিল ছাপ্পা মেরেও বুজরুকি ভোট মিশিনে যান্ত্রিক গোলযোগ গণনায় ছাপ্পা হয় আর খেঁকশিয়াল পণ্ডিত প্রবর ঘনঘন ধুতির খুটে কাঁচ মুছে হুমকি দেয় ঘ‍্যাঁতঘুঁত আওয়াজ বুনো ওল খোঁজে
কৈ হলো রে? কি হলো গণতন্ত্র জানে। সৌন্দর্য বয়ান দেয় মিডিয়া।
অমুক তমুকের জয় জনগণের রায় দায়িত্ব আর পরাজয়
বড় বড় বুলি সস্তায় যা দেওয়া যায় সেইসব কাহিনি গ্রন্থিত।

আজও ভাতের গন্ধের সুবাস ভিন্নতর। সুগন্ধি আর গন্ধহীন
আজও দেশের বুকে কাজ জোটেনা ছুটে বিদেশ বিভুঁই।
বিহারী বাংলায় বাঙালি মহারাষ্ট গুজরাট চিন আমেরিকা
শ্রমিকের হাত বদল শ্রমের অপচয় কোলাহল মুখর জীবন
তারমধ‍্যেই নায়িকা নায়ক দিনের আলোয় করমর্দন সেরে
মুচকি হেসে
বেশ বোকা বানিয়ে মজা লুটে স‍্যুটে বুটে হ‍্যাটে মানুষ ঠগায়।

ছুঁ মন্তর ছুঁ! লাগ ভেলকি লাগ!গগন তলে আকাশ জ্বলে যা!