অতিথি পাখির সমাঘমে মুখরিত তাহিরপুরের টাংগুয়া হাওর।

0
227



মুরাদ মিয়া,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠেছে তাহিরপুরের টাংগুয়ার হাওর ও নদীর আশপাশ। পাখির জলকেলি, ডানা ঝাপটানো উড়াউড়ির সঙ্গে কিচির মিচির শব্দে ঘুম ভাঙছে এলাকাবাসীর। তবে হেজাক লাইটের আলোর পশরে রাতে অনেক পাখি ভয়ে নামতে পারছে না নদীতে। অবশ্য জেলা প্রশাসন বলছে, পরিযায়ী পাখি রক্ষায় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শীতের সঙ্গে সঙ্গে অতিথি পাখি দল বেঁধে সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুরের টাংগুয়া হাওরের এরাইল্লিয়া কুনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় আসতে শুরু করেছে। পানিতে লুকোচুরির খেলার সঙ্গে কিচিরমিচির শব্দে নিজেদের মাঝে ভাব বিনিময় করছে তারা। কখনো ডানা মেলে আকাশে উড়াউড়ি আবার কখনো ডাঙায় বসে শব্দ করছে।

হাজার মাইল দূর থেকে উড়ে আসা হাজার হাজার অতিথি পাখির কলকাকলীতে মুখর করে রেখেছে টাংগুয়া হাওরের চারপাশ। শ্রোতহীন নদীর স্বচ্ছ জলরাশির সঙ্গে মিতালী করে দিনভর খুনসুটিতে মেতেছে থাকছে এসব পরিযায়ীরা।

বালি হাস, রাঙ্গা ময়ূরী, ছোট স্বরালী ,খঞ্জনা পাতারী হাস নামক পরিযায়ী পাখি বেশি দেখা মিলছে এখানে। শীত মৌসুমের শুরুতে গত ক’বছর ধরে এখানে আসছে এসব অতিথি পাখি। শীত বাড়ার সঙ্গে এবার আগমন কিছুটা বেশি বলে জানান স্থানীয়রা।

তাহিরপুরের টাংগুয়া হাওরে অতিথি পাখির এ কলকাকলি দেখতে আসছেন দূর-দূরান্ত থেকে পাখি প্রেমীরা।

পাখির অবাধ বিচরণ নিশ্চিতসহ পরিবেশ বিনষ্ট কারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান।

চলতি শীত মৌসুমে অন্তত ১০ প্রজাতির পরিযায়ী পাখি এসেছে টাংগুয়া হাওরে ও এরাইল্লিয়া কুনা নদীতে। এসব পাখি দিন শেষে গাছে আশ্রয় নেয়।